Friday, 1 May 2020

তামিম ইকবাল বাংলাদেশী ক্রিকেটার জীবনের কিছু সময়

তামিম ইকবাল খান (জন্ম ২০ মার্চ ১৯৮৯) হলেন একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। ২০০৭ সালে তামিম ইকবালের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে এবং একই বছর তিনি তার প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেন। তিনি ডিসেম্বর ২০১০ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১১ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই তার সেঞ্চুরি রয়েছে এবং প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করেন। [৩] ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এবং সেই সাথে আর. প্রেমাদাস স্টেডিয়ামে সনাথ জয়াসুরিয়ার করা ২৫১৪ রানের রেকর্ড ভেঙে একই ভেন্যুতে সর্বোচ্চ রানের অধিকারী হিসেবে নিজের নাম লেখান।
তামিম ইকবাল খান (জন্ম ২০ মার্চ ১৯৮৯) হলেন একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার। ২০০৭ সালে তামিম ইকবালের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে এবং একই বছর তিনি তার প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেন। তিনি ডিসেম্বর ২০১০ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১১ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই তার সেঞ্চুরি রয়েছে এবং প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করেন। [৩] ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৬০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এবং সেই সাথে আর. প্রেমাদাস স্টেডিয়ামে সনাথ জয়াসুরিয়ার করা ২৫১৪ রানের রেকর্ড ভেঙে একই ভেন্যুতে সর্বোচ্চ রানের অধিকারী হিসেবে নিজের নাম লেখান।
তামিম ইকবাল
২০১১ সালে তামিম ইকবাল উইজেন ক্রিকেটার্স অ্যালামন্যাক এ বর্ষসেরা ৪ ক্রিকেটারের মধ্যে অন্যতম ও ২য় বাংলাদেশী হিসেবে উইজডেন এ বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার নির্বাচিত হন। তিনি চট্টগ্রাম বিভাগ ক্রিকেট দল এর হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে থাকেন। তামিম ইকবালই একক বাংলাদেশী হিসেবে সীমিত ওভারের সংস্করণে সর্বোচ্চ রানের মালিক এবং একমাত্র বাংলাদেশী হিসেবে ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই সেঞ্চুরির অধিকারী। [৬] এছাড়াও তামিম ইকবাল একমাত্র বাংলাদেশী হিসেবে ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে ২০টি সেঞ্চুরির অধিকারী।
বর্তমানে তিনি টেস্ট, ওডিআই ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে বাংলাদেশী হিসেবে সর্বোচ্চ রানের অধিকারী খেলোয়াড়।[৭] তিনি ২য় বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে ৩০০০ রান ও ওয়ানডেতে ৫০০০ রানের রেকর্ডধারী এবং ১ম বাংলাদেশী হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ১০০০ রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন। তিনি ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে তার ২০০তম একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তামিম ইকবাল প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ২০১৯-২০ বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ টুর্নামেন্টে ইস্ট জোন টিমের হয়ে ১ম শ্রেণির ক্রিকেটে অপরাজিত ৩৩৪ রানের ইনিংস খেলেন। [৮]
ক্রিকেট জীবন
তার উচ্চতা ৫'৮" । ২০০৯ মৌসুমের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তামিম ইকবাল তার প্রথম টেস্ট শতক করেন। খেলোয়াড় ও ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে বিবাদের কারণে ক্যারিবীয় দলটি অবশ্য খানিকটা দুর্বল ছিল। ৭ জন খেলোয়াড়ের টেস্ট অভিষেক হয় এ ম্যাচে। তামিমের ব্যাটিং বাংলাদেশকে এক ঐতিহাসিক বিজয় এনে দেয়। এটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট বিজয় এবং দেশের বাইরের মাটিতেও প্রথম টেস্ট জয়।
তামিম ১২৮ রানে তার ইনিংস শেষ করেন এবং অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর কারণে
ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতে নেন। এরপূর্বে প্রথম ইনিংসেও তিনি ৩৩ রান করেছিলেন। নিজের ইনিংস সম্পর্কে বলতে গিয়ে তামিম বলেন, "উইকেট যথেষ্ট ফ্ল্যাট ছিল। আপনি যদি খেলায় ঠিকমত মনোনিবেশ করতে পারেন এবং সোজা ব্যাটে খেলেন, নিশ্চয়ই আপনি বড় স্কোর করতে পারবেন। আমার বয়স এখন বিশ এবং টেস্ট খেলেছি মাত্র ১১টি। আশা করছি, এরকম আরো অনেক ইনিংস আমি দলকে উপহার দিতে পারবো । [৯][১০]
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে নেমে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২০০০ রানের রেকর্ড গড়েন তামিম ইকবাল। প্রথম
একদিনের আন্তর্জাতিক শতক আসে
আয়ারল্যান্ড দলের বিপক্ষে। ভারত ,
শ্রীলঙ্কা নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজের আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রশিক্ষক জেমি সিডন্স তার সম্পর্কে বলেছেন, " তামিম ইকবালের আন্তর্জাতিকমানের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হবার যোগ্যতা আছে "। [১১]
২৫শে জানুয়ারি তামিম, জুনায়েদ সিদ্দিকীকে সঙ্গী করে ভারতের বিপক্ষে ১৫১ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন। ১৩ই মার্চ, ২০১০ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৮৬ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস খেলে তামিম ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। শুধুমাত্র শচীন তেন্ডুলকর এবং মোহাম্মদ আশরাফুল তারচেয়েও কম বয়সে এ মাইলফলক স্পর্শ করতে পেরেছিলেন। এই টেস্টেরই দ্বিতীয় ইনিংসে ও পরের টেস্টের প্রথম ইনিংসে তামিম পরপর দু'টো সেঞ্চুরি করেন (১০৩ ও ১০৮)।
২০১২ সালে এশিয়া কাপে তামিম ইকবাল ৪টি ম্যাচেই হাফ-সেঞ্চুরি করেন এবং বাংলাদেশ ২য় বারের মতো কোনো ত্রি-দেশীয় ক্রিকেট সিরিজের ফাইনালে উঠে। [১২]
পাকিস্তান সিরিজ, ২০১৫
২ মে, ২০১৫ তারিখে সফরকারী
পাকিস্তানের বিপক্ষে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ১ম টেস্টের ২য় ইনিংসে ইমরুল কায়েসকে (১৫০) সাথে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ৩১২ রান তোলেন। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি ২য় সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়েন। [১৩][১৪] এরফলে তারা টেস্টের ২য় ইনিংসে ১৯৬০ সালে কলিন কাউড্রে ও
জিওফ পুলারের গড়া ২৯০ রানের রেকর্ড ভঙ্গের মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়েন। [১৫] খেলায় তিনি ২০৬ রান করেন যা তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ টেস্ট শতরান। এ রান সংগ্রহের ফলে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের গড়া সর্বোচ্চ ২০০ রানের রেকর্ড ভঙ্গ করে নিজের করে নেন। পরবর্তীতে
সাকিব আল হাসানের দৃঢ়তাপূর্ণ অপরাজিত ৭৫* রানের সুবাদে তার দল ৫৫৫/৬ তোলে ও খেলাটি নিষ্প্রাণ ড্রয়ে পরিণত হয়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের
পুরস্কার হিসেবে দেড় হাজার মার্কিন ডলার লাভ করেন।
ভারত সিরিজ, ২০১৫
১০-১৪ জুন, ২০১৫ তারিখে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে তামিম ইকবাল বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হন। [১৬] নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বৃষ্টিবিঘ্নিত একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিনি এ কীর্তিগাঁথা রচনা করেন।
জাতীয় দলের অধিনায়ক
২০২০ সালের ৮ মার্চ মাসরাফির অবসর গ্রহণের পরে তামিমকে বাংলাদেশের
একদিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) দলের অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়।
ক্রিকেট বিশ্বকাপ
তিনি ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট অংশগ্রহণ করেন এবং ভারতের বিপক্ষে প্রথম খেলায় ৫৩ বলে ৫১ রান করেন, যা
ভারতীয় দলকে পরাজিত করতে সবিশেষ অবদান রাখে।
২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ৪ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে বিসিবি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দলের ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে। [১৭] এতে তিনিও দলের অন্যতম সদস্য মনোনীত হন। ৫ মার্চ, ২০১৫ তারিখে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ৪র্থ খেলায় তিনি ৯৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন।
মাহমুদুল্লাহকে সাথে নিয়ে ও পরবর্তীতে
সাকিব, মুশফিকের অনন্য নৈপুণ্যে ঐ খেলায় বাংলাদেশ দল বিশাল রান তাড়া করে ৬ উইকেটের কৃতিত্বপূর্ণ জয়লাভ করে।
[১৮] এর ফলে বাংলাদেশ সফলভাবে একদিনের আন্তর্জাতিকে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে বিজয়ী হয়। [১৯] এছাড়াও তিনি সাকিবের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিকে ৪,০০০ রান সংগ্রহ করেন।
উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটার
২০১১ সালে তামিম উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাক ম্যাগাজিন কর্তৃক বছরের সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের একজন হিসেবে নির্বাচিত হন। গ্রেম সোয়ান ও বীরেন্দ্র শেবাগকে পেছনে ফেলে তামিম এ খেতাব জিতে নেন।
আন্তর্জাতিক শতকসমূহ
টেস্ট শতক
তামিম ইকবালের ট
# রান খেলা প্রতিপক্ষ শহর/দেশ
১ ১২৮ ১১ ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংসটাউ
সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাই
২ ১৫১ ১৪ ভারত ঢাকা,
বাংলাদে
৩ ১০৩ ১৮ ইংল্যান্ড লন্ডন ,
ইংল্যান্ড,
যুক্তরাজ্য
৪ ১০৮ ১৯ ইংল্যান্ড ম্যানচেস্ট
ইংল্যান্ড,
যুক্তরাজ্য
৫ ১০৯ ৩৬ জিম্বাবুয়ে খুলনা ,
বাংলাদে
৬ ১০৯ ৩৭ জিম্বাবুয়ে চট্টগ্রা
বাংলাদে
৭ ২০৬ ৩৮ পাকিস্তান খুলনা ,
বাংলাদে
৮ ১০৪ ৪৪ ইংল্যান্ড ঢাকা,
বাংলাদে
ওডিআই শতক
তামিম ইকবালের
# রান খেলা প্রতিপক্ষ শহর/
১ ১২৯ ২৭ আয়ারল্যান্ড ঢাক
বাংলা
২ ১৫৪ ৬০ জিম্বাবুয়ে বুলা
জিম্বা
৩ ১২৫ ৭৪ ইংল্যান্ড ঢাক
বাংলা
৪ ১১২ ১১৯ শ্রীলঙ্কা হাম্বান
শ্রীলঙ্
৫ ১৩২ ১৪২ পাকিস্তান ঢাক
বাংলা
৬ ১১৬* ১৪৩ পাকিস্তান ঢাক
বাংলা
৭ ১১৮ ১৫৬ আফগানিস্তান ঢাক
বাংলা
টি২০ শতক
তামিম ইকবালের টি২০
# রান খেলা প্রতিপক্ষ শহর/দেশ ম
১ ১০৩ * ৪৯ ওমান ধর্মশালা ,
ভারত হিমা প্রদ ক্রি সংস্ স্টে
টি২০ শতক
তামিম ইকবাল ২০১৬ সালের ১৩ মার্চ টি২০ বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সেঞ্চুরি করেন ৷ তিনি বাংলাদশের হয়ে প্রথম এক হাজার ক্লাবে পৌঁছান ৷
জাতীয় দলের অধিনায়ক
মাশরাফি বিন মর্তুজা একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক পদ থেকে সরে দাড়ালে ৮ মার্চ ২০২০ তারিখে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জাতীয় দলের দায়িত্বভার তার কাঁধে তুলে দেয়।[২০] এছাড়া এর আগে শ্রীলঙ্কা সফরেও ওডিআই দলের নেতৃত্ব দেন তিনি।
[২১]
তথ্যসূত্র
1. ↑ Tamim Iqbal Profile , ESPN Cricinfo, সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০০৭
2. ↑ "Tamim Iqbal: Bangladesh international leaves Essex for personal reasons" । ১১ জুলাই ২০১৭ – www.bbc.co.uk-এর মাধ্যমে।
3. ↑ "Tamim ton leads Bangladesh to 90-run win" । International Cricket Council। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৭।
4. ↑ "Tamim becomes first Bangladesh player to reach 6k ODI runs" । The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৮।
5. ↑ "Tamim's journey to 6000 ODI runs" । সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৮।
6. ↑ "Tamim Iqbal: Bangladesh opener hits 1st ton of 2016 World T20, becomes 11th player to hit tons in all 3 formats" । Zee News । সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৬।
7. ↑ "Batting records – Combined Test, ODI and T20I records – Cricinfo Statsguru – ESPNcricinfo" ।
8. ↑ "Tamim Iqbal hits 334 not out, Bangladesh's best in first-class cricket" ।
ESPN Cricinfo । সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
9. ↑ Cricinfo staff (৮ জুলাই ২০০৯), ওয়েস্ট ইন্ডিজের রিপ্লেসমেন্ট স্কোয়াড , Cricinfo.com, সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৭-১৮
10. ↑ সাকিব, মাহমুদউল্লাহ বুঝতেই দিলেন না মুর্তজার অনুপস্থিতি , Cricinfo, ১৩ জুলাই ২০০৯, সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৭-১৮
11. ↑ [১] খন্দোকার মিরাজুর রহমান (৩ জানুয়ারি ২০১০)
12. ↑ the four-finger salute
13. ↑ "Record opening stand stuns Pakistan" । ESPN Cricinfo । সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৫।
14. ↑ "Tamim double-ton tops up record stand" । ESPN Cricinfo । সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৫।
15. ↑ "Centurion Kayes overcomes wicketkeeping ordeal, Bangladesh v Pakistan, 1st Test, Khulna, 4th day May 2, 2015" । ESPN Cricinfo । সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৫।
16. ↑ "Tamim surpasses Bashar for Bangladesh record" । ESPNCricinfo । সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৫।
17. ↑ Isam, Mohammad। "Soumya Sarkar in Bangladesh World Cup squad" ।
ESPNCricinfo । ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০১৫।
18. ↑ Fuloria, Devashish (৫ মার্চ ২০১৫)। "The top-order show a Bangladesh chase needed" । ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৫।
19. ↑ "Seniors set up Bangladesh's highest chase" । ESPN Cricinfo। ৫ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৫।
20. ↑ "Tamim Iqbal to take over as Bangladesh ODI captain" । ESPNcricinfo । ৮ মার্চ ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২০।
21. ↑ "Tamim ready for captaincy after 'last-minute call' " । www.icc-cricket.com । সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯।

No comments:

Post a Comment